শিক্ষা

বিষয় ৮: পবিত্র আত্মা

[8-4] < প্রেরিত ৩:১৯ > যাহাদের শিষ্যদের ন্যায় একই বিশ্বাস আছে

< প্রেরিত ৩:১৯ >
“অতএব তোমার মন ফিরাও, ও ফির, যেন তোমাদের পাপ মুছিয়া ফেলা হয়, যেন এইরূপে প্রভুর সম্মুখ হইতে তাপ শান্তিতেসময় উপস্থিত হয়।”
 
 
প্রেরিতদের কি ধরণের বিশ্বাস ছিল?
তারা যীশুর বাপ্তিস্ম এবং তাঁর ক্রুশীয়
রক্ত উভয়ই বিশ্বাস করত
 
 যীশু খ্রীষ্টের শিষ্যদের প্রতি তাকাই, তাদের বিশ্বাসের ব্যাপ্তি যখন তারা বিশ্বাসে ছিল না তখন তাদের অন্তরে বাসকারী পবিত্র আত্মা থেকে তাদের বিশ্বাসের সম্বন্ধে ভিন্নতা ছিল। তাদের মাংসে কোন পার্থক্য দেখা যেত না, কিন্তু পবিত্র আত্মা গ্রহণের পর তাদের জীবন যীশু খ্রীষ্টের জ্যোতিতে সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে গেল।
 যে শহরে আমি বাস করি সেখানে সুন্দর সুন্দর পাহাড় ও হ্রদ আছে। এরূপ মনোরম দৃশ্য দেখতে আমি বিস্ময়ে ও তৃপ্তিতে পূর্ণ হই যে এরূপ সৃষ্টির জন্য প্রভুকে ধন্যবাদ না দিয়ে থাকতে পারি না। স্ফটিকের মত স্বচ্ছ জলের উজ্জলতা সূর্যের কিরণে জল জল করে। আমার অন্তরকে পূর্ণ করে দেয় এবং পৃথিবীর চারদিকে আমার কাছে। সোনার মত মনে হয়।
 কিন্তু এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে এরূপ সুন্দর দৃশ্যপট সুস্পষ্ট ভাবে প্রকাশ করে না। এমন জায়গা যেখানে আকাশ স্ফটিকের মত স্বচ্ছ, কিন্তু সূর্যের আলোর নীচের জল জলাভুমির মত দেখায়। এরূপ দৃশ্যের মত আর কোন ঔজ্জলতা নেই। হ্রদ দেখায় মত, আমি তাঁর সুন্দর সুসমাচারের জন্য প্রভুকে ধন্যবাদ দেই যা আমার পাপ পরিষ্কার করে এবং অন্তরে বাসকারী পবিত্র আত্মা আমাতে অবস্থান করেন।
 জলাভুমির সম্মুখের হ্রদে আলো প্রতিফলিত হয় না, সতরাং আমরা ঈশ্বরের আলো থেকে দূরবর্তী হই এবং অজ্ঞনতা বশতঃ আমাদের পাপপূর্ণ স্বভাব হেতু অদৃশ্য ভাগ্যের দিকে ধাবিত হই। কিন্তু যদি পবিত্র আত্মা আমাদের অন্তরে বাস করেন, আমরা ঈশ্বরের সন্তান হিসাবে প্রকাশিত হব এবং অন্য লোকদের সুসমাচার শিক্ষা দেব। কারণ আমরা তাঁর আলো গ্রহণ করেছি, আমরা আলোয় উজ্জল হব।
যীশুর পুনরুত্থানের পর একইরূপে, তাঁর শিষ্যগণ পবিত্র আত্মা গ্রহণ করেছিলেন ও তাঁর সন্তান হয়েছিলেন এবং জ্যোতির প্রেরিত হয়েছিলেন। পবিত্র আত্মার জ্যোতি সকলের জন্য মহাআশীর্বাদ স্বরূপ এবং অধিকাংশ লোক পবিত্র আত্মা গ্রহণ করতে ইচ্ছুক।
 

প্রেরিত পৌলের বিশ্বাস
 
 পৌলের কি প্রকার বিশ্বাস ছিল? পৌল তার স্বীকারোক্তিতে বলেন যে, তিন শিক্ষিত এবং কঠোরভাবে পিতৃপুরুষদের ব্যবস্থা অনুসারে সেই সময়ের ব্যবস্থা সম্পর্কে একগণ মহান শিক্ষক গমালিয়েলের চরণে সম্পূর্ণ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ছিলেন। কিন্তু তিনি স্বীকার করেন যে ব্যবস্থা দ্বারা তিনি তার পাপ থেকে রক্ষা পেতে পারেন নাই এবং বা তিনি ছিলেন বস্তুতঃ যীশু ত্রাণকর্তার গ্রহণকারী ছিলেন। একদিন দম্ভেশকের পথে যীশু তাঁকে দেকা দেন এবং তাঁর সুসমাচারের প্রচারক হয়ে যান। তিনি যীশু খ্রীষ্টকে ঈশ্বরের পুত্র রূপে বিশ্বাস করতেন, যিনি এই জগতে এসেছিলেন, যোহনের দ্বারা বাপ্তাইজিত হয় জগতের সমস্ত পাপ পরিষ্কার করেছেন এবং ক্রুশীয় রক্ত সেচন দ্বারা ঐ পাপ গুলির বিচার তাঁর নিজের উপরে তুলে নিযেছেন অন্যকথায়, পৌলের অন্তরে পাপ ক্ষমার বিশ্বাস ছিল।
 যীশুর শিষ্যগণ বিশ্বাস করতেন যে যোহনের দ্বারা যীশুর বাপ্তিস্ম এবং তাঁর ক্রুশীয় রক্ত দ্বারা তাদের সমস্ত পাপের ক্ষমা হয়েছিল। পৌল শিষ্যদের সঙ্গে একই বিশ্বাসের অংশীদার ছিলেন এবং এভাবে তার সমস্ত পাপ থেকে রক্ষা পেয়েছিলেন।
 পৌল গালাতীয় ৩:২৭ পদে বলেন, “কারণ তোমরা যত লোক খ্রীষ্ট্রের উদ্দেশে বাপ্তাইজিত হইয়াছ, সকলে খ্রীষ্টকে পরিধান করিয়াছ,” এবং যীশুতে তার বিশ্বাস বাপ্তিস্ম তাঁর পরিত্রাণ স্বীকার করেছেন। ১ পিতর ৩:২১ পদে পিতর আরও বলেন, “আর এখন উহার প্রতিরূপ বাপ্তিস্ম অর্থাৎ মাংসের মালিন্যত্যাগ নয়, কিন্ত ঈশ্বরের নিকটে সৎসংবাদের নিবেদন- তাহাই যীশু খ্রীষ্টের পুনরুত্থান দ্বারা তোমাদিগকে পরিত্রাণ করে।” এবং তিনি এই পদের মাধ্যমে যীশুর বাপ্তিস্মের সুন্দর সুসমাচারের নিশ্চিত প্রমাণ দিয়েছেন। যীশুর শিষ্যরা বিশ্বাস করতে যে, যোহনের দ্বারা তাঁর বাপ্তিস্ম জগতের সমস্ত পাপ পরিস্কার করেছেন। তারা তাদের পাপ থেকে ক্ষমা পেয়েছিলেন এবং এরূপে এই সত্যে বিশ্বাস দ্বারা ব্যবস্থার শাপের অধিনে দার্ঘ্যাত হন নাই।
 তারা যীশুর বাপ্তিস্ম ও তাঁর ক্রুশীয় রক্ত উভয়ই বিশ্বাস করতেন। ইহা প্রমাণিত যে এই বিশ্বাস শিষ্যগণ এর যোগ্যতা বিকাশে প্রয়োজন ছিল। প্রেরিত ১:২১ - ২২ পদে আছে, “অতএত যোহনের বাপ্তিস্ম অবধি আরম্ভ করি তা, যে দিন প্রভু যীশু আমাদের নিকট হইতে উর্দ্ধেনীত হন, সেই দিন পর্যন্ত, যত দিন তিনি আমাদের কাছে ভিদরে আসিতেন ও বাহিরে যাইতেন, ততদিন সর্বদা যাহারা আমাদের সহচর ছিলেন, তাহাদের এক ব্যক্তি যে আমাদের সহিত তাঁহার পুনরুত্থানের সাক্ষী হন, ইহা আবশ্যক।” যোহন দ্বারা যীশুর বাপ্তিস্মে বিশ্বাসের সঙ্গে যীশুর একজন শিষ্য হয়ে থাকেন। আমাদের পাপের ক্ষমার পেতে যীশুর বাপ্তিস্ম ও তাঁর ক্রুশীয় রক্তের সত্যে আমাদরে বিশ্বাস করা প্রয়োজন। “কারণ তোমরা যত লোক খ্রীষ্টের উদ্দেশে বাপ্তাইজিত হইয়াছ, সকলে খ্রীষ্টের পরিধান করিয়াছ” (গালাতীয় ৩:২৭)। এরূপে পৌল যোহনের দ্বারা যীশুর বাপ্তিস্মে ও তাঁর ক্রুশীয় রক্তে বিশ্বাস করেছিলেন।
 তীত ৩:৫ পদে দেখুন, “তখন তিনি আমাদের ধর্ম কৰ্ম্মহেতু নয়, কিন্তু আপনার দয়া অনুসারে পুনর্জন্মের ম্নান ও পবিত্র আত্মার। নূতনীকরণ দ্বারা আমাদিগকে পরিত্রাণ করিলেন।” এখানে শব্দ গুচ্ছ, “পুনর্জন্মের ম্নান” অর্থ যখন যোহন যীশুকে বাপ্তাইজিত করলেন তখন জগতের সমস্ত পাপ পরিষ্কার করলেন। আরও, যদি আপনি আপনার পাপের জন্য ক্ষমা পেতে চান, তাহলে আপনার সুন্দর সুসমাচারে বিশ্বা সকরা প্রয়োজন, যা বলে যে আপনার পাপ যোহনের দ্বারা তাঁর বাপ্তিস্মের মাধ্যমে যীশুতে স্তানান্তরিত হয়েছিল। ফলে যীশু ক্রুশারোপিত হলেন ও মৃত্য বরণ করলেন, যোহন থেকে গৃহিত বাপ্তিম্মের মাধ্যমে আমাদের সমস্ত পাপ তুলে নিলেন। এই ঘটনা বিশ্বাস করা অন্তরে বাসকারী পবিত্র আত্মা পাওয়ার জন্য যথেষ্ঠ। পৌল স্বীকার করলেন যে, তিনিও যোহনের দ্বারা যীশুর বাপ্তিস্ম ও তাঁর ক্রুশীয় রক্তে বিশ্বাস করলেন।
 আমরা ইব্রীয় ১০:২১-২২ পদে দেখি, এখানে বলছে, “ঈশ্বরের গৃহের উপরে নিযুক্ত মহান এক যাজক ও আমাদের আছেন; এই জন্য আইস, আমরা সত্য হৃদয় সহকারে বিশ্বাসের কৃত নিশ্চয়তায় ( ঈশ্বরের ) নিকট উপস্থিত হই; আমরা ত হৃদয় প্রাক্ষণ-পূর্বক মন্দ হইতে মুক্ত; এবং শুচি জলে স্নাত দেহ বিশিষ্ট হইয়াছি” এখানে, “শুচি জলে স্নাত” যোহনের দ্বারা যীশুর বাপ্তিস্মকে নির্দেশ করে, যাহা মানুষের সমস্ত পাপ পরিষ্কার করে।
 অতএব, পুরাতন এবং নূতন নিয়মে আমরা দেখতে পাই যে তাঁর বাপ্তিস্ম ও তাঁর ক্রুশীয় মৃত্যু সুন্দর সুসমাচারে অঙ্গীভূত। আপনার ও পৌলের মত একই বিশ্বাসের অংশি হওয়া আবশ্যক।
 আজ অধিকাংশ খ্রীষ্টিয়ান ঐ সকল না জেনে অনর্থক তাঁকে বিশ্বাস করছে যখন যোহন যীশুকে বাপ্তাইজিত করলেন, জগতের সমস্ত পাপ পরিষ্কার করলেন। কিন্তু ধর্ম বিশারদগণ যুক্তি প্রদর্শন করেন যে লোকেরা তাদের নিজেদের পাপ থেকে ক্ষমা পরওয়ার জন্য জলে বাপ্তিস্ম গ্রহণ করা আবশ্যক বাইবেলে লিখিত অনুসারে এই নিশ্চিত উক্তি সম্ভবত সত্য ও জল ও আত্মার সুন্দর সুসমাচার ব্যতিত তৈরী করা হয়েছে। যখন আমরা জলে বাপ্তাইজিত হই তখন কেবল একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের পাপ সকল ক্ষমা হতে পারে না। যীশুর বাপ্তিস্ম ও তাঁর রক্তে বিশ্বাস আমাদের সমস্ত পাপ। হতে আমাদিগকে পরিষ্কার করে। কেবল তাদরে জন্য পাপের ক্ষমা যারা সুন্দর সুসমাচারে বিশ্বাস করে। তাঁর রক্তে বিশ্বাস দ্বারা তাঁর তাদের দন্ডাজ্ঞা পরিশোধ করেছেন। কেবলমাত্র যাদের এই বিশ্বাস আছে তারাই পবিত্র আত্মা গ্রহণ করতে পারে।
 “এই জন্য আইস, আমরা সত্য হৃদয় সহকারে বিশ্বাসের কৃত নিশ্চয়তায়
(ঈশ্বরের) নিকটে উপস্থিত হয়; আমরা ত হৃদয় প্রাক্ষণ-পূর্বক মন্দ হইতে মুক্ত, এবং শুচি জলে স্মাত দেহ বিশিষ্ঠ হইয়াছি”(ইব্রীয় ১০:২২)। ইব্রীয় পুস্তকে লেখক আমাদের বলেন বিশ্বাসের পূর্ণ নিশ্চয়তা সাপেক্ষে সত্য হৃদয় ঈশ্বরকে কাছে টানে। আপনি সুন্দর সুসমাচারের বিশ্বাসের পূর্ণ নিশ্চয়তা সাপেক্ষে সত্য হৃদয়ে তাঁকে কাছে টানা উচিত।
 আজ খ্রীষ্টিয়ানগণ অন্তরে বাসকারী পবিত্র আত্মাকে আন্তরিকতার সহিত পাওয়ার জন্য আশা করে। কিন্তু পবিত্র আত্মা সেখানেই বাস করেন যারা পাপের ক্ষমা পেয়েছেন। অনেকেই ইহ জানে না বরং যীশুর বাপ্তিস্ম ও তাঁর রক্তের সুন্দর সুসমাচারে বিশ্বাস ব্যতিত পবিত্র আত্মাকে গ্রহণ করতে ইচ্ছা প্রকাশ করে। যারা যীশুকে বিশ্বাস করে অথচ তাঁর বাপ্তিস্ম ও তাঁর রক্তে বিশ্বাস করে না তারা পবিত্র আত্মা গ্রহণ করতে পারে না। এর কারণ তাদের অন্তর পবিত্র নয়।
 পৌল যীশুর বাপ্তিস্ম ও তাঁর ক্রুশীয় রক্তে বিশ্বাস করতেন এবং পবিত্র আত্মা পেয়েছিলেন। অধিকন্তু তিনি এই বিশ্বাস প্রচার করেছিলেন এবং প্রচলিত ধৰ্ম্মমতের বিরোধিতার জন্য নির্যাতিত হয়েছিলেন। কারণ পবিত্র তাঁর অন্তরে বাস করতেন, তাঁর জীবনে শেষ পর্যন্ত জল ও আত্মার সুসমাচার প্রচার করতে পেরেছিলেন। “যিনি আমাকে শক্তি দেন, তাহাতে আমি সবই করতে পারি” (ফিলিপীয় ৪:১৩)। অন্তরে বাসকারী পবিত্র আত্মাকে ধন্যবাদ, তিনি ঈশ্বরের দাসত্ব করেন এবং তিনি ঈশ্বরের কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত পবিত্র আত্মার নিয়ন্ত্রনে বাস করতে থাকেন। কেবল মাত্র তারাই পৌলের মত একই বিশ্বাসে পবিত্র আত্মা গ্রহণ করতে পারেন। আমরা পৌলের বিশ্বাসের দিকে তাকাই। কলসীয় ২:১২ পদে বলা হয়েছে, “ফলতঃ বাপ্তিস্মে তাঁহার সহিত সমাধি প্রাপ্ত হইয়াছি, এবং তাহাতে তাঁহার সহিত উত্থাপিত ও হইয়াছ, ঈশ্বরের কাৰ্য্য সাধনে বিশ্বাস দ্বারা হইয়াছ, যিনি তাঁহাকে মৃতগণের মধ্য হইতে উঠাইয়াছেন।” যিনি যোহানের দ্বারা বাপ্তাইজিত হয়েছিলেন সেই যীশু বিশ্বাস দ্বারা তিনি তার সমস্ত পাপের ক্ষমা পেয়েছিলেন।
 

প্রাচীন কাল থেকে কিভাবে খ্রীষ্ট ধর্ম পরিবর্তিত হয়েছে?
 
এখন, একজন বোনের স্বীকারোক্তি লক্ষ্য করি, যিনি যীশু খ্রীষ্টে, শিষ্য হওয়ার পর পবিত্র আত্মা পেয়েছিলেন।
 “আমি বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছিলাম কিন্তু কোন সন্তান ধারণ করতে। পারছিলাম না, সুতরাং প্রার্থনার মধ্যে দিয়ে তাঁর আশীর্বাদ গ্রহনের। জন্য আমি এক মন্ডলী থেকে অন্য এক মন্ডলীতে গেলাম। এমন কি যখন আমি ঘরে একাকী থাকাতাম আমি একটি সন্তানের জন্য একঘন্ট থেকে দুঘন্টা পর্যন্ত প্রার্থনা করতাম এবং এই ধর্মময় আর্দশ আমার প্রতিদিনের জীবনের অংশ হয়ে গেল।”
 যখন আমি আমার নিজের জীবনে এই প্রকার ধর্মীয় জীবন-যাপন করছি, আমি একজন বয়স্ক মহিলার সঙ্গে সাক্ষাত করলাম। তিনি আমাকে বললেন যে যদি আমি একটি সন্তানের জন্য ঈশ্বরের কাছে যাচ্ঞনা করি, তাহলে আমি যেন প্রার্থনার মধ্য দিয়ে তাঁর হন্তৰ্পণ পাওয়ার চেষ্ট করি। আমি কোন কোন জায়গায় শুনেছি যে এই মহিলা ছিলেন একজন ঈশ্বরের দূত সুতরাং আমি তাকে আমার মাথায় হস্তাৰ্পণ করতে অনুমতি দিলাম। সেই মুহুর্তে, আমার এক অভিজ্ঞতা হল যা আমার পূর্বের কোন অনুভুতি ছিল না। আমার জিহ্বা জড়িয়ে যেতে লাগল এবং আমি ভিন্ন ভাষায় কথা বলতে লাগলাম। এবং আমি অদ্ভুত কিছু অনুভুত করতে লাগলাম ও উষ্ণ শক্তি আমাকে উপরের দিকে টেনে তুলতে লাগল।
 আমার এই অভিজ্ঞতার অর্থ হল যে আমি পবিত্র আত্মা গ্রহণ করেছি, এবং ইহাই ছিল, আমার প্রার্থনায় তাঁর উত্তর। মহিলা যিনি আমার মাথায় হস্তাৰ্পণ করেছিলেন আমার মনে হল পবিত্র আত্মার দান স্বরূপ ভাববাণী ও আরোগ্যকারী শক্তি পেলাম, তিনি কখনো ঈশ্বরের বাক্যের শিক্ষা গ্রহণ করেন নি, কিন্তু পবিত্র আত্মার শক্তি ব্যবহার করে হস্তার্পণের মাধ্যমে পবিত্র আত্মার শিক্ষা গ্রহণ করতে বহু সংখ্যক পালককে সাহায্য করে ছিলেন। তখন থেকে আমি এরূপ সভায় যোগ দিতে আরম্ভ করি, যাকে বলা হত নূতনীকরণ/পুনরুজ্জীবন আন্দোলন।” এই সভাতে আমার প্রার্থনা চলাকালীন সময়ে আমি আমার শরীরের মধ্য দিয়ে একটি কম্পন অনুভব করলাম এবং আমার অন্তর ঈশ্বরের ও আমার প্রতিবেশীদের জন্য প্রেমে উত্তেজিত হয়ে উঠি। এই একই বিষয় অন্যদেরও ঘটোছিল এবং লোকেরা জ্ঞান হারিয়ে ভিন্ন ভাষায় কথা বলছিল। সেখানে লোকেরা দিয়াবলের অধিকৃত, এবং এই সভার নেতা দিয়াবলকে তাড়িয়ে দেন। এই নূতনীকরণ/ পুনরুজ্জীবন আন্দেলনের উদ্দেশে হল পবিত্র আত্মার ভুয়ো দর্শন পেতে লোকদের সাহায্য করা যেমন বর্তমান ভবিষ্যত বলা, শয়তান তাড়ানো এবং নানভাষা। কিন্তু তা সত্ত্বেও এই ভুয়োদর্শক গুলো,আমি পাপে ছিলাম এবং আমার অন্তরে পাপ ছিল এবং লজ্জা ও ভয় অনুভূত হচ্ছিল।
 অতএব, যখনই আমি প্রার্থনা করি, আমি আন্তরিকতার সহিত প্রার্থনা করি যেন আমি পাপ সমস্যার সমাধান করতে সমর্থ হই। আমি স্বীকার করি যে আমি পাপী ছিলাম কিন্তু লোকেরা আমাকে দূতের মত সম্মাণ করে। আমি চিন্তা করি আমার ভাল বিশ্বাস ছিল, কিন্তু আমি ভ্রান্তিতে ছিলাম। আমি আমার ভুল চিনতে পারি নাই, আমার পবিত্র আত্মা গ্রহনের কোন সুযোগ ছিল না।
 ঐ ঘটনার পরে আমি তাদের সঙ্গে সাক্ষাত করি যারা জচল আত্মার সুসমাচার প্রচার করে এবং ঈশ্বরের বাক্যে বিশ্বাস দ্বারা আমার সমস্ত পাপের ক্ষমা পেয়েছি। এখন আমি সত্যিই আনন্দিত। আমি জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করি এবং পবিত্র আত্মা গ্রহণ করেছি। আমি ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দেই। আমি ইচ্ছা করি সমুদয় জগতের খ্রীষ্টিয়ানগণ সুন্দর সুসমাচারে বিশ্বাস করুকএবং অন্তরে বাসকারী পবিত্র আত্মাকে গ্রহণ করুক। আমি আমাদের প্রভুকে
 
সত্য নূতনীকরণ খ্রীষ্টের জীবনের একটি সহজাত ও প্রয়োজনীয় অংশ এবং ইহা আধ্যাত্মিক পরিপক্কতা, প্রমাণ সাপেক্ষে পবিত্র আত্মার ফল আনয়ন করে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলিতে কিছু আন্দলন “নূতনীকরণ” পর্ব এরূপ উপায় পুনঃনির্দ্ধারন করেছে যা বাইবেলে বর্ণিত অধ্যাত্মিক উত্তেজনা সৃষ্টি করে, কার্য্যে ধারা সুস্পষ্ট ভাবে সন্দেহজনক হিসাবে চিহ্নিত, এবং বাইবেল বহির্ভূত অথবা অ-বাইবেল, শিক্ষা ও অনুশীলন দ্বারা যুক্ত হচ্ছে।
 কিছু সন্দেহযুক্ত শিক্ষা ও অনুশীলন বির্তকিত নূতনীকরণ ও পুনরুজ্জীবন আন্দোলন উৎসাহিত করেছে; বাইবেলের উপর দিয়ে ক্যারিসমেটিক অভিজ্ঞতা, ভ্রান্ত অভিব্যক্তি, ভ্রান্ত শিক্ষা, ভ্রান্ত ভাববাণী, ভ্রান্ত সঙ্গীত ও বিস্ময়কর ইত্যাদি অতিরিক্ত জোর দিয়ে প্রকাশ করে। যাহা হউক এই আন্দোলনের ভয়ঙ্কর দিক হল সুন্দর সুসমাচারে বর্ণিত পবিত্র আত্মাকে গ্রহণের সত্য সম্পর্কে তারা লোকদের ভুল বুঝিয়ে থাকে।
 
 
আমরা এখানে শিক্ষলাম যে পবিত্র আত্মাগ্রহণ করতে আমদের ও জল আত্মার সুসমাচার প্রযোজন। যদি আপনি আপনার সমস্ত পাপের জন্য ক্ষমা চান, যোহনো দ্বারা যীশুর বাপ্তিস্মে আপনার বিশ্বাস করা আবশ্যক। ইফিষীয় ৪:৫ পদ দেখি, “এক প্রভু, এক বিশ্বাস,এক বাপ্তিস্ম” এখানে ইহা বলছে যে কেবলমাত্র একজন প্রভু, এক বাপ্তিস্ম, যা আমরা বিশ্বাস করি। আমাদের সকলেরই যোহনের দ্বাম যীশুর বাপ্তিস্ম ও তাঁর রক্তের মাধ্যমে অন্তরে বাসকারী পবিত্র আত্মাকে গ্রহণ করা আবশ্যক। যদি আমরা তা না করি তাহলে পবিত্র আত্মা আমাদের অন্তরে বাস করবেন না।
 একদা কিছু লোক শিক্ষা করত ও বিশ্বা করত যে পবিত্রতা ও বিশুদ্ধতা আন্দোলন তাদেরকে পবিত্র আত্মা গ্রহণে সাহায্য করে। যাহা হউক, আপনি কি চিন্তা করেন পবিত্র আত্মা আমাদের মধ্যে বাস করেন যদি আমরা এরূপ আন্দোলনে যাগোদান করি? আপনি কি পবিত্র আত্মার পেয়েছিলেন পবিত্রতা ও বিশুদ্ধতা আন্দোলনের কারণে? যদি ইহা সম্ভব হয় তাহলে বিশ্বাস রক্ষ করতে আপনি বিজ্ঞ হবেন। কিন্তু যদি এই কারণে পবিত্র আত্মা আপনার উপরে এসে থাকেন তাহলে যীশু আমাদিগকে পাপ থেকে রক্ষা করার জন্য আসেন নাই এবং যোহনের দ্বারা তাঁর বাপ্তিস্ম ও ক্রুশের উপর মৃত্যুবরণ করার কোন প্রয়োজন ছিল না।
 অন্তরে বাসকারী পবিত্র আত্মা গ্রহণ করা যীশুর বাপ্তিস্ম ও তাঁর রক্তের সুসমাচারে বিশ্বাসের দান যা আপনার পাপের জন্য আপনার ক্ষমা আনয়ন করে। অন্তরে বাসকারী পবিত্র আত্মার দান মঞ্জুরীকৃত হয় যাদের পাপ সকল সত্য সুসমাচার দ্বারা পরিষ্কৃত ও ক্ষমা হয়েছে।
 এই দিনগুলিতে, যাদের মধ্যে নূতনীকরণ/পুনরুজ্জীবন আন্দোলনকে প্রশ্রয় দেয়, কেহ কেহ বিশ্বাস করে যে সম্পূর্ণ অনুতাপের প্রার্থনা পবিত্র আত্মা গ্রহণে সাহায্য করতে পারে। তারা বলে যে এমন কি যদি ও একজন ব্যক্তি তার অন্তরে পাপ থাকে, যদি সে অন তাপ সহ প্রার্থনা করে তাহলে সে পবিত্র আত্মাকে গ্রহণ করতে পারবে।
 পেন্টিকস্তাল-ক্যারিসমেটক আন্দোলন যা সমস্ত জগত ব্যাপি ছড়িয়ে পড়েছে, ১৮০০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হয়েছিল। শিল্প বিপ্লবের পর এই আন্দোলন এসেছিল; যখন লোকদের নৈতিক কর্তব্য স্থবির হয়ে এসেছিল। যখন অনেক লোকের অন্তর মহা মন্দতার কারণে বিনষ্ট হয়ে গিয়েছিল। ঈশ্বরের বাক্যে প্রত্যাখ্যাত হয় এবং একটি নূতন ধর্ম আন্দোলন জাগতে শুরু করে। ইহা ছিল পেন্টিকস্তাল ক্যারিসমেটিক আন্দোলন যার লক্ষ্য ছিল পবিত্র আত্মার (ঈশ্বর) ভুয়োদর্শন-চোখে ঈশ্বরের কাজ বলে এবং দেহ ও মনে ঈশ্বরের। রাজ্যের ক্ষমতার ভুয়োদর্শন দেখানো।
 কিন্তু এই আন্দোলনের একটি বিপদজনক প্রবাহ যা বিশ্বাসীদের ঈশ্বরের বাক্য থেকে আরও দূরে নিয়ে যাচ্ছে এবং ধর্মীয় আবেশ থেকে দৈহিক ভাবে আশীর্বাদ পাওয়ার জন্য কঠোরভাবে চেষ্ট করছে। ফলতঃ এই নূতন আন্দোলনের অনুসরীগণ শামানিজম এর উকিলে পরিণত হচ্ছে। এমন কি আজও। পেন্টিকস্তাল ক্যারিসমেটিক আন্দোলন বিশ্বাস করতে নিজেদেরকে প্রশ্রয় দিচ্ছে যে যদি কেহ যীশুতে বিশ্বাস করে সে ধনী হবে, তার অসুস্থতা থেকে সুস্থ্য হবে, সে সব কিছুতে সমৃদ্ধ হবে, সে পবিত্র আত্মা গ্রহণ করবে এবং নান ভাষায় কথা বলবে এবং অন্যদের আরোগ্য করার শক্তি পাবে। পেন্টিকস্তাল-ক্যারিসমেটিক আন্দোলন সমস্ত পৃথিবী ব্যাপী বিস্তার লাভ করছে। এই আন্দোলন লোকদের সুন্দর সুসমাচারে বিশ্বাস এবং অন্তরে বাসকারী পবিত্র আত্মাপাওয়ার সামর্থের প্রতিবন্দক হয়েছে। আধুনিক খ্রীষ্ট ধর্ম প্রায় ৫০০ বছর আগে থেকে সুথার এবং ক্যালভিন এবং বিশ্বাসে আরম্ভ হয়েছিল। কিন্তু খ্রীষ্ট ধর্মীয় সীমারেখার মধ্যে বাইবেলের শিক্ষার অন্তরে বাসকারী পবিত্র আতা দৃঢ়তার সাথে প্রতিষ্ঠিত হয় নাই। আধুনিক খ্রীষ্ট ধর্মের শুরু থেকেই ঐ সমস্যা বিদ্যমান; অধিকাংশ খ্রীষ্টিয়ান যীশুকে তাঁর বাপ্তিস্ম ও ক্রুশের উপর মৃত্যুর তাৎপর্য্য ব্যতিত বিশ্বাস করছে। ব্যাপর আরও খারাপ হচ্ছে, লোকেরা খ্রীষ্ট ধর্ম সম্বন্ধীয় মতবাদ ভুল বুঝতে শুরু করেছে এবং দৈহিক ভুয়োদর্শন জোর দিয়ে প্রকাশ করেছে। সব খ্রীষ্টিয় সুন্দর সুসমাচারে বিশ্বাস করা আবশ্যক যা বলে যীশু যোহনের দ্বারা। বাপ্তাইজিত হয়েছেন ও জগতের সমস্ত পাপভার তুলে নিয়েছেন। এবং তিনি তাদের পাপের জন্য বিচারিত ও ক্রুশে বিদ্ধ হয়েছেন। এই বিশ্বাস আপনার পবিত্র আত্ম গ্রহণের কারণ হবে।
 আজ খ্রীষ্টিয়ানদের বিনষ্ট হওয়ার কারণ লোকেরা যীশুর বাপ্তিস্মের সত্য ও তার ক্রুশীয় রক্ত সম্পর্কে অজ্ঞ।যীশু আমাদিগকে এই সত্য জ্ঞান হতে বলেছেন। যোহনের দ্বারা যীশুর বাপ্তিস্ম ও তাঁর ক্রুশীয় রক্তে বিশ্বাসের অর্থ জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাল করা। যদি আপনি পবিত্র আত্মাকে গ্রহণ করতে চান তাহলে বিশ্বাস করুন যে যখন যোহন যীশুকে বাপ্তাইজিত করেছিলেন, আপনার পাপ তাঁর উপরে স্থানান্তরিত হয়েছিল ও তাঁর রক্ত বিচারিত ও আপনার সমস্ত পাপ ক্ষমা করেছিল। তখন আপনি পবিত্র আত্মাকে গ্রহণ করতে পারবেন।
 অনেক খ্রীষ্টিয়ান কেবল যীশুর রক্তে পাপ মোচনের সুসমাচার বিশ্বাস করেন। কিন্তু কেবল কারা তাঁর রক্তে বিশ্বাস করে পাপ থেকে মুক্তি পাবে? আপনি? আপনি যদি ভাবেন সেরূপ করতে পারেন, সম্ভবত আপনার যীশুর বাপ্তিস্মের সত্য অর্থ করতে অপষ্ট জ্ঞান আছে। ঐ অবস্থায় আপনার অন্তরে পাপ আছে। যখন আপনি যীশুর বাপ্তিস্মে ও রক্তে একত্রে সংযুক্ত থাকেন একই বিশ্বাসে। আপনার পাপ থেকে রক্ষা পেতে পারেন এবং পবিত্র আত্মা গ্রহণ করতে পারেন। বাইবেল বলে এই সত্য সুসমাচার কেবল আমাদিগকে সমস্ত পৃথিবী জয় করতে সাহায্য করতে পারে।
 “বস্তুত: তিনে সাক্ষ্য দিতেছেন, আত্মা ও জল ও রক্ত এবং সেই তিনের সাক্ষ্যএকই” (১ যোহন ৫:৮)। অতএব উহা আমাদের জানা আবশ্যক তাঁর ইচ্ছা আমাদের পাপ থেকে রক্ষা করে, ঈশ্বর যোহনের দ্বারা যীশুকে বাপ্তাইজিত করলেন এবং তারপর তাঁকে ক্রুশারোপিত করলেন।
 অধিকাংশ খ্রীষ্টিয়ান যীশুতে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও তাদের পাপ থেকে কেন ক্ষমা পাচ্ছে না, যা কারণ তারা সুন্দর সুসমাচারে বিশ্বাস করছে না যা যোহনের দ্বারা যীশুর বাপ্তিস্ম ও তাঁর ক্ৰশীয় রক্তের সহিত গুণান্বিত হয়েছিল। যারা ঐ দুটি বিষয়ে বিশ্বাস করে পাপের ক্ষমা পাবে তাদের অন্তরে পবিত্র আত্মা বাস করবে।
 ঔখন লোকেরা উপলব্ধি করবে যে তাদের পাপ পরিষ্কার হয়েছে, তাদের অন্তর শান্তিপূর্ণ ও উদারতার জলের মত শান্ত। পবিত্র আত্মা কারো অন্তরে বাস করবার মুহুর্তে তার অন্তরের ভিতরে বাহিরে নদীর প্রবাহের মত শান্তি প্রবাহিত হতে থাকবে। এই সত্যে বিশ্বাস দ্বারা আমরা প্রভুর সঙ্গে সাক্ষাত করি এবং আত্মার সঙ্গে বেড়াই যেমন আমরা পিবত্র আত্মা পেয়ে সুসমাচার প্রচার করি। আমাদের অন্তর এর পূর্বে আর কখনোই এমন শান্তি পাই নাই। জল ও আত্মার সুসমাচার যে সময় থেকে আমরা বিশ্বাস করতে শুরু করেছি, আমাদের জীবন হয় নির্মল এবং আমাদের অন্তর হয় সম্পূর্ণ ভাবে আনন্দে পরিপূর্ণ। আমরা এই সুন্দর সুসমাচার থেকে বিপরীত দিকে যেতে পারি না। পবিত্র আত্মা সবসময় আমাদের অন্তরে থাকেন, তাঁর বাক্য প্রচারে উৎসাহিত করেন এবং যারা বিশ্বাস করে তাদরে পবিত্র আত্মা গ্রহণে অনুমতি দেয়।
 কারণ আমরা যীশুর বাপ্তিস্ম ও তাঁর ক্রুশীয় রক্তে সুন্দর সুসমাচার বিশ্বাস করেছি, এবং আমরা পবিত্র আত্মার আশীর্বাদ লাভ করেছি। এখন আপনাকে পবিত্র আত্মা গ্রহণের জন্য যীশুর বাপ্তিস্মে ও তাঁর ক্রুশীয় রক্তে বিশ্বাস করা আবশ্যক। ইহা গুরুতপূর্ণ যে সমস্ত পৃথিবীতে মানুষ ঈশ্বরের বাক্যে বিশ্বাস করতে শুরু করেছে যে যীশু যোহানের দ্বারা বাপ্তাইজিত হয়ে জগতের সমস্ত পাপ তুলে নিয়েছেন এবং তিনি তাদের পাপের জন্য বিচারিত হয়ে ক্রুশে মৃত্যুবরণ করেছেন। যখন তারা এরূপ করবে, তারা চূড়ান্ত ভাবে পবিত্র আত্মা গ্রহণ করবে।