শিক্ষা

বিষয় ৮: পবিত্র আত্মা

[8-13] < যোহন ১৬:৫-১১ > পবিত্র আত্মার দান ও কাজ

< যোহন ১৬:৫-১১ >
 “কিন্তু যিনি আমাকে পাঠাইয়াছেন, তাঁহার নিকটে এখন যাইতেছি, আর তোমাদের মধ্যে কেহ আমাকে জিজ্ঞাসা করবে না, কোথায় যাইতেছেন? কিন্তু তোমাদিগকে এই সমস্ত কহিলাম, সেই জন্য তোমাদের হৃদয় দুঃখে পরিপূর্ণ হইয়াছে। তথাপি আমি তোমাদিগকে সত্য বলিতেছি, আমার যাওয়া তোমাদের পক্ষে ভাল, কারণ আমি না গেলে, সেই সহায় তোমাদের নিকটে আসিবেন না, কিন্তু আমি যদি যাই, তবে তোমাদের নিকটে তাঁহাকে পাঠাইয়া দিব। আর তিনি আসিয়া পাপের সম্বন্ধে, ধার্মিকতার সম্বন্ধে ও বিচারের সম্বন্ধে, জগতকে দোষী করিবেন। পাপের সম্বন্ধে, কেননা তাহারা আমাতে বিশ্বাস করে না; ধার্ম্মিকতার সম্বন্ধে, কেননা আমি পিতার নিকটে যাইতেছি; ও তোমরা আর আমাকে দেখিতে পাইতেছ না; বিচারের সম্বন্ধে, কেননা এ জগতের অধিপতি বিচারিত হইয়াছে।”
 
 
পবিত্র আত্মার কাজ কি
তিনি পাপের সম্বন্ধে, ধার্মিকতার
সম্বন্ধে ও বিচারের সম্বন্ধে জগতকে
দোষী করবেন
 
 আদি ১:২ পদে লিখিত আছে, “পৃথিবী ঘোর ও শূণ্য ছিল, এবং অন্ধকার জলধির উপরে ছিল, আর ঈশ্বরের আত্মা জলের উপরে অবস্থিত করিতেছিলেন।” আমরা এই অংশ থেকে দেখতে পাই যে পবিত্র আত্মা পাপে পূর্ণ ও বিশৃঙ্খল জীবনে বাস করে না; কিন্তু কেবল সেই অন্তরে বাস করে যারা সুন্দর সুসমাচারে বিশ্বাস করে, অনেক লোককে তাদের বিশৃঙ্খল ও অসারতায় পতিত হয়ে ধর্ম্মো উম্মত্ততায় প্রভাবিত হয়ে বলে যে তারা অন্তরে বাসকারী পবিত্র আত্মা গ্রহণ করতে চায় যদিও তাদের অন্তরে পাপ আছে।
 আত্মা ধৰ্ম্মো উম্মত্ততায় মোহাবিষ্ট হয় সুন্দর আত্মা নয়। শয়তানের কাজ হল অসংযত বিশ্বাসীদের উন্মোত্ততা ও উন্মাদোনায় সহজে পতিত হয়ে তার চাতুরী ক্ষমতায় প্রভাবিত হয়। কিন্তু পবিত্র আত্মা ব্যক্তি ঈশ্বর যিনি বুদ্ধিমান, আবেগপ্রবন এবং যথার্থ ইচ্ছা আছে। তিনি পিতা ঈশ্বর ও তাঁর পুত্র যীশু খ্রীষ্টের সঙ্গে থেকে এই জগতে সৃষ্টির কাজে নিয়োজিত ছিলেন। আমরা এখন জানলাম এই পৃথিবীতে পবিত্র আত্মা কি ধরণের কার্য্য করেছেন।
 
 
পবিত্র আত্মা পাপের সম্বন্ধে পৃথিবীকে দোষী করেন
 
পবিত্র আত্মা সর্বপ্রথম কি কাজ করেন? তিনি পাপের সম্বন্ধে পৃথিবীকে দোষী করেন। যে সব লোকেরা তাঁর দ্বারা দোষী কৃত তারা যোহনের দ্বারা যীশুর বাপ্তিস্ম ও তাঁর ক্রুশীয় রক্তের সুন্দর সুসমাচার গ্রহণ করে না। তিনি সকল পাপীকে দোষী করেন এবং সেই সব পাপকে যারা জল ও আত্মার সুন্দর সুসমাচার বিশ্বাস করে না।
 
 
তিনি ঈশ্বরের ধার্মিকতা সম্বন্ধে জগতকে দোষী করেন
 
 পবিত্র আত্মা দ্বিতীয় বিষয়টি কি করেন ? তিনি ঈশ্বরের ধার্মিকতা ও পাপীদের তাদের পাপ থেকে রক্ষা করার যীশুর কৃতিত্বপূর্ণ কাজের সাক্ষ্য বহন করেন। যোহন ১৬:১০ পদে আছে, “ধার্মিকতার সম্বন্ধে কেননা আমি পিতার নিকটে যাইতেছি, ও তোমরা দেখিতে পাইতেছ না;” আমরা জানি বাইবেলে ঈশ্বরের ধার্মিকতার অর্থ কি। এই সত্যের অর্থ যীশু যোহনের দ্বারা তাঁর বাপ্তিস্মের মাধ্যমে জগতের পাপ তুলে নিয়েছেন এর্ব যে কেহ তাঁহাতে বিশ্বাস কর যে ঈশ্বরের অনুগ্রহে ধার্মিগণিত হয়। যোহন বাপ্তাইজক দ্ধারা যীশু বাপ্তাইজিত হয়েছিলন এবং জগতের সমস্ত পাপ গ্রহণ করেছিলেন, ক্রুশে তাঁর রক্ত সেচন কররেন, পুনরুত্থিত হলেন এবং সমস্ত পাপীর ত্রাণকর্তা হলেন। এই সুন্দর সুসমাচার যীশু আমাদিগকে দিয়েছিলেন। যীশু ঈশ্বরের ইচ্ছা অনুসারে জল ও রক্তের মাধ্যমে জগতের সমস্ত পাপ তুলে নিয়েছেন এবং আমাদের জীবনের প্রভু হলেন।
 পবিত্র আত্মা যোহনের দ্বারা যীশুর বাপ্তিস্ম এবং তাঁর ক্রুশীয় রক্তে বিশ্বাস করতে লোকদের সাহায্য করেন, এরূপে তাদেরকে পাপ থেকে ক্ষমা পেতে তাদের সাহায্য করেন। আপনি জানবেন যে ত্রিত্ব ঈশ্বরের কাজ প্রশংসা সূচক। পবিত্র আত্মা ঈশ্বরের প্রেম লোকদের বিশ্বাস স্থাপন করতে সুন্দর সুসমাচারের জন্য কাজ করেন। তিনি জল ও আত্মার সত্য সুন্দর সুসমাচারের সত্যের নিশ্চয়তা করেন।
 
 
তিনি বিচারের সম্বন্ধে জগতকে দোষী করেন
 
 পবিত্র আত্মার তৃতীয় বিষয় কি? তিনি শয়তানের কাজ ধংস করেন। শয়তান লোকদের চিন্তার মধ্যে ফিসফিস করে বলে, “তুমি যীশুতে বিশ্বাস করতে পার, কিন্তু অনেক পার্থিব ধর্মের মত খ্রীষ্ট ধর্মের বিষয় চিন্তা কর” শয়তান যীশুর ধর্মের বাপ্তিস্ম ও তাঁর ক্রুশীয় রক্তের বিশ্বাস থেকে লোকদের বাঁধা দিয়ে রাখতে চেষ্টা করে এমন কি যদি তারা যীশুকে বিশ্বাস ও করে তথাপি তারা পাপের ক্ষমা পেতে সমর্থ হয় না। কারণ শয়তান খ্রীষ্ট ধর্মকে “ সাবারন ” ধর্মের মত নিম্নতর অবস্থায় আনায়ন করে, অনেক লোক শয়তানের প্রতারণায় ধরাশায়ী হয় কারণ তারা যীশুতে বিশ্বাস করে ভাল লোক হতে চায়। যাহা হউক, যীশুতে বিশ্বাস করার প্রকৃত উদ্দেশ নূতন জন্ম প্রাপ্ত ধার্মিক লোক হওয়া।
 আপনার ভ্রান্ত বিশ্বাস থাকা উচিত নয়। যীশুতে আপনি কত বেশী বিশ্বাস করেন তা কোন ব্যাপার নয় কিন্তু ভ্রান্ত বিশ্বাস আপনাকে পবিত্র করতে পারে না। যদি আপনার ভ্রান্ত বিশ্বাস থাকে, আপনি যীশুকে শয়তানের ভ্রান্তির কারণে পরিষ্কার ভাবে জানতে ও দেখতে পারবেন না যারা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করে রক্ষা পেয়েছে পবিত্র আত্মা তাদের পরিত্রাণ নিশ্চিত করে। সমস্ত বিশ্বাস অকাৰ্য্যকর হয়ে পড়ে যখন তাদের অন্তরে পাপ থাকে।
পবিত্র আত্মা সুন্দর সুসমাচারের সত্যের সাক্ষী হন। যীশু বাপ্তাইজিত হয়ে জগতের সমস্ত পাপ তুলে নিলেন এবং তিনি ক্রুশারোপিত হয়ে পাপের দেনা শোধ করলেন। পবিত্র আত্মা এই সত্যের সাক্ষী হলেন। পৃথিবীর সমস্ত লোকদের সত্য সুসমাচারে বিশ্বাস করে তাদের পাপ থেকে ক্ষমা পেতে পবিত্র আত্মা উপদেশ দিয়ে থাকে। যাহা হউক, আমাদের এটা মনে রাখা উচিত যে যারা সুন্দর সুসমাচার অন্তরে রাখে না তাদের পবিত্র আত্মা দোষী ও বিচার করবেন।
 
 
প্রত্যেকের পবিত্র আত্মা থাকা আবশ্যক
 
পবিত্র বিশ্বাস কি? এই বিশ্বাস হল পাপের ক্ষমার মধ্য দিয়ে অন্তরে বাকারী পবিত্র আত্মা গ্রহণে আমাদিগকে চালিত করে। যাহা হউক, আমরা দেখতে পাই যে পৃথিবীতে অনেক খ্রীষ্টিয়ান আছে যাদের অন্তরে পাপ আছে যদিও তারা প্রভু যীশুতে তাদের বিশ্বাস দীর্ঘকাল যাবৎ যাপন করছে। যীশুতে তাদের এই দীর্ঘকালের বিশ্বাসে তারা আরও বেশী পাপে পূর্ণ হয়েছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা তাদেরকে তাদের পাপ থেকে মুক্তি পেতে বাঁধা দিচ্ছে তা হল তারা নানা ভাষার বিষয়ে ভাবছে এবং দর্শন পেয়ে মনে করছে তারা পবিত্র আত্মা গ্রহণ করেছে। তারা তাদের পাপের জন্য ঈশ্বরের বিচার সম্পর্কে আসচেতন।
 এই পৃথিবীর অনেক লোকই শয়তানের কাজ থেকে পবিত্র আত্মার কাজ সুক্ষভাবে চিনতে পারে না। শয়তানের কাজ লোকদেরকে ভ্রান্ত বিশ্বাস প্রদানের মাধ্যমে তাদেরকে বিশৃঙ্খল পথে পরিচালিত করে এবং তারপর তাদেরকে ধংশের দিকে ধাবিত করে। এভাবেই শয়তান ঈশ্বরের বিরুদ্ধে কাৰ্য্য সম্পাদনের চেষ্ট করে। শয়তান লোকদেরকে কুসংস্কারাচ্ছন্ন জানতে সাহায্য করে এবং তারা যীশুর বাপ্তিস্ম ও তাঁর ক্রুশীয় রক্তের সুন্দর সুসমাচারে বিশ্বাস দ্ধারা তাদের পাপ থেকেত মুক্ত হতে পারে। পবিত্র আত্মা তাহাদিগকে বিজ্ঞতা দিয়ে থাকেন যেন তিতি তাহাদিগকে থাকেন যখন তাদের জল ও আত্মার সুসমচারের বিশ্বাস থাকে।
 যাহোক, ঈশ্বরের বাক্যের মাধ্যমে পবিত্র আত্মা মানুষকে ঈশ্বরের রাজ্য দেখতে দেন। পবিত্র আত্মার মাধ্যমে তারা জানতে এবং বিশ্বাস করতে পারে যে, ঈশ্বর মানুষকে সৃষ্টি করেছেন, তাকে প্রেম করেছেন,এবং তাকে উদ্ধার করতে চান। যীশু খ্রীষ্টের মাধ্যমে জল ও আত্মার সুসমাচার দ্বারা তিনি পাপীদেরকে উদ্ধার করার সংকল্প করেছেন এবং বিশ্বাসে তাঁর প্রেমে অবস্থিতি করার জন্য আহবান করেছেন।
১ পিতর ৩:২১ পদে বলা হয়েছে, “আর এখন উহার প্রতিরূপ বাপ্তিস্ম- অর্থাৎ মাংসের মালিন্যত্যাগ নয়, কিন্তু ঈশ্বরের নিকটে সৎসংবেদের নিবেদন- তাহাই যীশু খ্রীষ্টের পুনরুত্থান দ্বারা তোমাদিগকে পরিত্রাণ করে।” মানুষকে পাপ, ধার্মিকতা এবং বিশ্বাসের সত্যে আনয়ন করা এবং সেই সত্যে বিশ্বাস করানো পবিত্র আত্মার কাজ। পবিত্র আত্মা মানুষকে ঈশ্বরের বিচার সম্পর্কে জানতে দেন, এবং তারা যেন যীশুর বাপ্তিস্ম এবং ক্রুশীয় রক্তের সুন্দর সুসমাচারে বিশ্বাসের মাধ্যমে পাপ থেকে উদ্ধার পেতে পারে, তা জানতে দেন। পবিত্র আত্মা এই জ্ঞানও দেন যে, যখন তারা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করে, তখন তিনি তাদের মধ্যে অবস্থান করেন। পবিত্র আত্মার কাজ কত গভীর তা আমরা দেখতে পেয়েছি। পৃথিবীর সমস্ত লোকের অন্তরে বাসকারী পবিত্র আত্মা পেতে পারে এবং যখন তারা যীশুর জল ও আত্মার সুন্দর সুসমাচারে বিশ্বাস দ্বারা পাপের ক্ষমা পেয়ে ঈশ্বরে প্রেমে অবস্থান করে।
 
 
 পবিত্র আত্মার ব্যক্তিগত অস্তিত্ব
 
পবিত্র আত্মা হলেন সর্বশক্তিমান ঈশ্বর। তিনি অত্যাবশ্যকীয় ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্যের অধিকারী, যথা, অত্যন্ত বৃদ্ধিবৃত্তি, প্রবল অনুভূতি ও ইচ্ছা সমন্ন। কারণ পবিত্র আত্মা অত্যন্ত বৃদ্ধিবৃত্তির অধিকারী। তিনি মানুষের অন্তরে (১ করিন্থীয় ২:১০) ঈশ্বরের গভীর বিষয়ের অনুসন্ধান করেন। কারণ পবিত্র আত্মা প্রবল অনুভূতি সম্পন্ন, যারা ঈশ্বরের বাক্যে বিশ্বাস করে, তিনি তাদের প্রতি অসন্তষ্ট, কিন্ত অবিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন। ধার্মিকগণ পবিত্র আত্মার মাধ্যমে ঈশ্বরের প্রেম অনুভব করতে পারেন।
পবিত্র আত্মাকে “শান্তনা দানকারী” বলা হয়ে থাকে। এর অর্থ পবিত্র আত্মা ধার্মিকের বিপদে সাহায্য করেন এবং তাদের শত্রদের সঙ্গে যুদ্ধে তাদের বিজয় আনায়ন করেন। তিনি অত্যন্ত বুদ্ধি প্রবল অনুভূতি ও ইচ্ছার অধিকারী যেমন আমরা মানুষেরা করে থাকি এবং তিনি বাস করেন যারা জল ও আত্মার সুন্দর সুসমাচারে বিশ্বাস করেন।
 
 
পবিত্র আত্মার কাজ অনুকরণীয়
 
পবিত্র আত্মা লোকদের পাপ ক্ষমার সত্যতা উপলব্ধি করতে অনুপ্রাণিত করেন এবং বিশ্বাসীদের অন্তরে বাস করেন। তাঁর কাজ হলে সত্যের পক্ষে সাক্ষী হওয়া যেমন যীশু তাঁর বাপ্তিস্ম ও তাঁর রক্তের মাধ্যমে মানুষের সমস্ত পাপ তুলে নিয়েছেন ( ১ যোহন ৫:৬-৮ )। তিনি তাঁর দাস ও সাধুদের যে কোন সমস্যা থেকে শান্তনা দেন এবং পুনরায় দাঁড়াতে শক্তি দেন। উচিত মতে কি প্রার্থনা করতে হয় যখন তারা তা জানেনা তিনি নিজেই তাদের পক্ষে সমর্থন করেন। ( রোমীয় ৮:২৬ )। এবং তিনি ঈশ্বরের মন্ডলীতে ধার্মিকদের বিশ্বাম দেন এবং তাদের তাঁর বাক্যের প্রচুৰ্য্য দেন।
( গীত সংহিতা ২৩ )।
 
 
পবিত্র আত্মার কাজ বাইবেলের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত
 
পবিত্র আত্মা ধার্মিকদের চিনতে ও তাদের অন্তরে সত্যের বিশ্বাস স্থাপন ও অন্যের কাছে প্রচার করতে চালিত করেন। শাস্ত্রের সকল বাক্যই “ঈশ্বর নিশ্বসিত প্রত্যেক শাস্ত্রলিপি আবার শিক্ষার,অনুযোগের, সংশোধনের, ধার্মিকতা সম্বন্ধীয় শাসনের নিমিত্ত উপকারী”( ২ তিমথিয় ৩:১৬ )।
 “তোমরা সদাপ্রভুর প্রস্তকে অনুসন্ধান কর, তাহা পাঠ কর, ইহার একর ও অভাব হইবে না, তাহারা কেহ মঙ্গিনীবিহীন থাকিবে না; কেননা আমার মুখ (দ্বারা) তিনিই ইহা আজ্ঞা করিয়াছেন এবং তিনিই আপন আত্মা দ্বারা তাহাদিগকে সংগ্রহ করিয়াছেন” ( যিশাইয় ৩৪ : ১৬ )।
 “প্রথমে ইহা জ্ঞাত হও যে, শাস্ত্রীয় কোন ভাববাদী বক্তার নিজ ব্যাখ্যার বিষয় নয়, কারণ ভাববাদী কখন ও মনুষ্যের ইচ্ছাক্রমে উপনীত হয় নাই, কিন্তু মনুষ্যেরা পবিত্র আত্মা দ্বারা চালিত হইয়া ঈশ্বর হইতে যাহা পাইয়াছেন, তাহাই বলিয়াছেন”(২পিতর ১:২০-২১)
 ঈশ্বর বাক্য লিখতে পবিত্র আত্মা ঈশ্বরের দাসদের প্রত্যাদেশ দিয়ে থাকেন সুতরাং আমরা ইহা পড়তে পারি। তিনি জল ও আত্মার সুসমাচার লোকদের কাছে উপস্থাপন করেন এই সমস্ত জগতে প্রচার করতে চালিত করেন। অত্রএব যদিও ধার্মিকগণ তাদের জীবনে অনেক দুখ কষ্ট ভোগ করে থাকেন, তথাপি তারা পবিত্র আত্মার শক্তির অনুগ্রহে বিজয়ী হতে সমর্থ হন।
 
 
পবিত্র আত্মার দান ও ফল
 
পবিত্র আত্মার দানের অর্থ তিনি ঈশ্বরের সুন্দর সুসমাচার অন্যদের কাছে প্রচার করতে ধার্মিক ব্যক্তিদের সামর্থ দেন। সে কারণে ধার্মিক ব্যক্তিগণ তাঁর প্রদত্ত দানের সহিত ঈশ্বরের কাজে নিজদিগকে উৎসর্গ করে থাকেন, এবং পবিত্র আত্মা সদাপ্রভুকে গৌরব প্রদানে তাহাদিগকে সাহায্য করেন। “কিন্তু প্রত্যেক জনকে হিতের জন্য আত্মার আর্বিভাব দত্ত হয়” ( ১করিন্থীয় ১২:৭)।
 পবিত্র আত্মা দানের উদ্দেশ হল বিশ্বাসে ধার্মিক ব্যক্তিদের সাজ্জিত করা এবং তাদের সম্মুখের ধাবন ক্ষেত্রে দৌঁড়াতে সাহায্য করা ( ইফিষীয় ৪: ১১ - ১২ )। পবিত্র আত্মা ঈশ্বরের দাসগণ ও ধার্মিক ব্যক্তিদের সুসমাচার প্রচারে সাহায্য করেন এবং কর্ম্মদক্ষতা দিয়ে থাকেন। ঈশ্বরের মন্ডলী ধার্মিক ব্যক্তিদের একটি সম্প্রদায় যারা যীশু খ্রীষ্টেতে পবিত্ৰীকৃত হয়েছে
( ১করিন্থীয় ১:২ )।
 প্রত্যেক খ্রীষ্টিয়ান যারা পবিত্র আত্মা গ্রহণ করেছে, তাদের প্রদত্ত অধিকারী ও কর্ত্তৃত্ব অনুসারে আচরন করা কর্তব্য, যেহেতু যীশু খ্রীষ্ট মন্ডলীর মস্তক। পবিত্র আত্মা ধার্মিক ব্যক্তিদের আধ্যাত্মিক সামর্থ ও ক্ষমতা দিয়েছেন, সুতরাং তারা ঈশ্বরের কাজে ও ধার্মিকতার জন্য কাজ করতে পারেন। তিনি বলেন, “অতএব তোমরা ভোজন, কি পান, কি যাহা কিছু কর সকলই ঈশ্বরের গৌরবার্থে কর” (১করিন্থীয় ১০:৩১ )।
 
 
 আত্মার বিভিন্ন রকমের দান
 
পবিত্র আত্মা বার প্রকারের দান আছে। আমরা বাইবেল থেকে দেখতে পাই যে এই দাম গুলি গনং অনুসারে বিভিন্ন লোকদের বিভিন্ন ভাবে দেওয়া হয়েছে। রোমীয় ১২:৬-৮ পদ, ১ করিন্থীয় ১২:৮-১০ পদ এবং ইফিষীয় ৪:১১ পদে দানের লম্বা তালিকা দেওয়া হয়েছে। ১ করিন্থীয় ১২ অধ্যায়ে বর্ণিত নয়টি আধ্যাত্মিক দানের বিষয় নিয়ে দেওয়া হল
 ১) প্রজ্ঞার বাক্য: ইহা আমাদিগকে জল ও আত্মার সুসমাচার বুঝবার জন্য আধ্যাত্মিক অনুপ্রেরণা দেয় এবং এই সুন্দর সুসমাচার প্রচারের অনুমতি দেয়।
 ২) জ্ঞানের বাক্য: ইহা বিস্তর সমস্যা নিষ্পত্তি করার সামর্থ দেয়া যা ঈশ্বরের লিখিত আত্মার মাধ্যমে ধার্মিকের জীবনরকে বিজয়ী করে।
 ৩) বিশ্বাস: পবিত্র আত্মা ধার্মিক ব্যক্তিদের দৃঢ় বিশ্বাস ও সাহসিকতা দেয় সুতরাং তারা তাদের পাপ ও শয়তান থেকে আত্মাগণকে রক্ষার অলৌকিক কাৰ্য্য সস্পাদন করতে পারে। একজন ধর্মিক ব্যক্তি বিশ্বাসের ক্ষমতা প্রয়োগ করে তাদের পাপের ক্ষমা পেয়ে থাকে এবং তাদের আধ্যান্তিক ব্যাধির আরোগ্য সাধন করতে পারে।
 ৪) আরোগ্য সাধন: পবিত্র আত্মা ধার্মিক ব্যক্তি ঈশ্বরের বাক্য তাদের বিশ্বাসের মাধ্যমে আরোগ্য সাধনের সামর্থ দিয়ে থাকে।
 ৫) পরাক্রম কাৰ্য্য সাধন: ইহা বিস্ময়কর দান যা ঈশ্বরের বাক্যে বিশ্বাস দ্বারা ধার্মিক ব্যক্তিদের ঈশ্বরের কাজ করার অনুমতি দেয়
পরাক্রম কাৰ্য্য যা বিশ্বাসের মাধ্যমে অলৌকিক ভাবে প্রাকৃতিক বিধান মতে অতিশয় মানবীয় বিজ্ঞতায় ঘটে।
৬) ভাববাণী: এই সময়ে কেবল যারা ঈশ্বরের বাক্যে বিশ্বাস করে ও মান্য করে তারা যা লিখিত আছে সেই অনুসারে ভাববাণী বলতে পারে। যে কেহ বাক্য বিশ্বাস করে যে বাইবেলে যা লিখিত আছে সেই অনুসারে হচ্ছে না তখন তা সত্য ভাববাণী হতে পারে না। ঈশ্বরের দাসগণ যাদের অন্তরে বাসকারী পবিত্র আত্মা আছে তারা ঈশ্বরের বাক্য পওচার করে, ঈশ্বরের দেহরূপ মন্ডলীর মাধ্যমে তার কাজ করতে উপদেম দেয়া ও গাঁথিয়া তোলে। ঈশ্বরের দাসগণ ও ধার্মিক ব্যক্তিদের পত্রিত আত্মা এই সামর্থ দিয়ে থাকে।
 ৭) আত্মাগণকে চিনিয়া লইবার শক্তি: যার পাপসকল ক্ষমা হয়েছে, তার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আছে। যদি এই দান আমাদের না থাকে, তবে শয়তানের দ্বারা বিপথে চালিত হওয়ার সমুহ সম্ভাবনা আমাদের রয়েছে। কারণ, পৃথিবী শয়তানের নিয়ন্ত্রণাধীন; প্রকৃত সুসমাচারে বিশ্বাস দ্বারাই কেবল আমরা এই দান পেতে পারি। এইরূপে পৃথিবীতে দুঃখ, ক্লেশ ও শয়তানকে আমরা পরাজিত করতে পারি। ধার্মিক ব্যক্তি সত্য সুসমাচারে বিশ্বাস দ্বারা এই দান লাভ করতে পারে।
 ৮) নানাবিধ ভাষা কহিবার শক্তি: নানাবিধ ভাষা সম্বন্ধে বাইবেল বলে, “কিন্তু মন্ডলীর মধ্যে, বিশেষ ভাষায় দশ সহস্র কথা অপেক্ষা বরং বুদ্ধি দ্বারা পাঁচটি কথা কহিতে চাই, যেন অন্য লোকদিগকেও শিক্ষা দিতে পারি”
(১করিন্থীয় ১৪:১৯)। ধার্মিক ব্যক্তি জানে যে, নিজে বুঝতে অসমর্থ এমন নানাবিধ ভাষা বলা অপেক্ষা ঈশ্বরের বাক্যে বুঝতে পারা আরো অধিক গুরুত্বপূর্ণ। তার নানাবিধ ভাষা বলা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।
 ৯) বিশেষ বিশেষ ভাষায় অর্থ করিবার শক্তি: আদি মন্ডলীতে শিষ্যগণকে সুসমাচার প্রচার করতে তাদের এই দান প্রদানের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে বিভিন্ন ভাষাতে সংবাদ গুলির অনুবাদ ও বিশদ ব্যাখ্যা প্রদানের যাজক বৃত্তির মাধ্যমে পবিত্র আত্মা সুসমাচার প্রচার করছে। যখন কোন ব্যক্তি অন্যান্য সকল ভাষাতে সুসমাচার প্রচার করে তখন একজন অনুবাদকের প্রয়োজন হয় না যাহা হউক, যখন আমরা ভষার প্রতিবন্ধকতার সম্মুখিন হই, ঈশ্বর সর্বদা আমাদিগকে তাঁর কাজের পরিপূর্ণ - সাধনে অনুবাদক হিসাবে অনুমতি দেন। ঈশ্বর মোহাবিষ্ট বা বিশৃঙ্খল অবস্থায় কারজ করেন না।পবিএ আত্মা সুন্দর সুসমাচার প্রচারে এবং নানা বিধ ভাষায় সুসমাচার অনুবাদ করতে ধার্মিক ব্যক্তিদের চালিত করেন।
 
 
 পবিত্র আত্মার ফল কি ?
 
পবিত্র আত্মার ফলের বিষয় মনোযোগী হতে বাইবেল আমাদিগকে বলে, “কিন্তু আত্মর ফল প্রেম, আনন্দ, শান্তি, দীর্ঘসহিষ্ণুতা, মাধুর্য্য, মঙ্গলভাব, বিশ্বস্ততা, মৃদুতা, ইন্দ্রিয় দমন, এই প্রকার গুণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেই” (গালাতীয় ৫:২২-২৩)।
 ১ ) প্রেম: জল ও আত্মার সুন্দর সুসমাচারের দ্বারা ধার্মিকদের পক্ষে সত্য প্রেম সকল পাপীদের তাদের পাপ থেকে রক্ষা করে। কারণ সুন্দর সুসমাচার ধার্মিক লোকদের অধিকারে যা যীশুর সত্য প্রেম, তারা সত্য প্রেমের সুসমাচার প্রচার করে এবং অন্য আত্মাগণের। জন্য প্রেম অধিকারে রাখে।
 ২ ) আনন্দ: যখন আমরা নূতন জন্ম লাভ করি তখন আমাদের অন্তরের গভীর থেকে এক গৌরবযুক্ত আনন্দময় অবস্থা প্রচুর পরিমাণে প্রবাহিত হয়ে থাকে। যে ধার্মিক ব্যক্তি তার সমস্ত পাপ থেকে ক্ষমা পায়, তার অন্তরে আনন্দ থাকে (ফিফলিপীয় ৪:৪)। কারণ ধার্মিকের অন্তরে আনন্দ আছে, তারা তাদের আনন্দ অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিথে সমর্থ।
 ৩ ) শান্তি: ইহা স্বস্তিদায়ক অন্তর যা ধার্মিক ব্যক্তিকে দেওয়া হয়েছে যিনি জল ও আত্মার সুসমাচারের বিশ্বাসের দ্বারা তার পাপ থেকে ক্ষমা পেয়েছে। পবিত্র আত্মা ধার্মিকের জন্য শান্তির সুন্দর সুসমাচার প্রচারের করণ। যে লোকেরা এই শান্তির সুন্দর সুসমাই শুনতে সমর্থ তারা পৃথিবীর পাপের উপর জয়ী হতে অন্যদের চালিত করেন এবং তাদের বিশ্বাসের দৃঢ় বিশ্বাস আছে। ধার্মিক লোকেরা ঈশ্বর ও মানুষের মাঝে শান্তি রচনা করে ঈশ্বরের পুত্র বলে আখ্যায়িত হয় (মথি ৫:১৯) এবং অন্যকে পাপের ক্ষমা গ্রহণে পরিচালিত করে। (হিতোপদেশ ১২:২০)। পবিত্র আত্মা ধার্মিকদের ধার্মিক জীবন- যাপনে নেতৃত্ব দেয় এবং সুন্দর সুসমাচার প্রচারের দ্বারা অন্যদের সাথে শন্তির আশীর্বাদ লাভ করে।
 ৪) দীর্ঘসহিষ্ণুতা: ধার্মিকদের অন্তরে দীর্ঘসহিষ্ণুতার ফল থাকে, কারণ তারা সত্য সুসমাচারে বিশ্বাস করে পাপ থেকে মুক্তি পেয়েছে। আমরা পবিত্র আত্মার সঙ্গে সহভাগিতার দ্বারা দীর্ঘস্থায়ী জ্ঞানে পর্ণ হয়ে এই ফল লাভ করতে পারি। ধার্মিক ব্যক্তি দীর্ঘসহিষ্ণু এবং ধৈৰ্য্যশীল।
 ৫) মাধুৰ্য্য: ঈশ্বর আমাদের উপর দয়া করেন, যখন আমরা পাপের পর্ণ ছিলাম, এবং যীশুর বাপ্তিস্ম ও যীশুর রক্তের মাধ্যমে আমাদের সমস্ত পাপ থেকে আমাদিগকে মুক্ত করেন। আমরা অন্যের উপর প্রেম ও দয়া করতে পারি, কারণ যীশু আমাদের প্রেম করেছেন। এবং আমাদের সমস্ত পাপ মুছে দিয়েছেন। কারণ আমরা তাঁতে বিশ্বাস করেছি এবং তাঁর অনুগ্রহ পেয়েছি।ধার্মিকের অন্তর দয়ায় ও সুন্দর সুসমাচারের ফলে পরিপূর্ণ থাকে। ৬) মঙ্গলভাব: এখানে মঙ্গলভাবের অর্থ পবিত্রতার বৈশিষ্ট্য। ধার্মিকদের অন্তরের গভীরে প্রভুতে বিশ্বাস ও পবিত্রতার বৈশিষ্ট্য আছে।
৭) বিশ্বস্ততা: বিশ্বস্ততার অর্থ ঈশ্বরে বিশ্বাসের পরিপূর্ণ একটি হৃদয়। যীশুর প্রতি বাধ্যতা থেকে ধার্মিক ব্যক্তির বিশ্বস্ততা আসে।
৮) মৃদুতা: এর অর্থ অন্যকে বুঝবার মত পূর্ণ সামর্থ থাকতে হবে এবং তাদেরকে মৃদুতা ও উষ্ণতায় আমাদের অন্তরে ধারণ করতে হবে। ধার্মিকদের অন্তরে তাদের শত্রুদের প্রেম ও মুক্তির জন্য প্রার্থনা থাকা দরকার
৯) ইন্দ্রিয়দমন: ইন্দ্রিয়দমন করো নিজের সামর্থকে নিয়মিত করে লম্পট জীবন এড়িয়ে যেতে চালিত করে এবং ইন্দ্রিয়দমন ও মিতব্যয়ী জীবন- যাপন করে।
 
 
 পবিত্র আত্মা পূর্ণ হও
 
 পবিত্র আত্মায় পূর্ণ হওয়ার ফলাফল কি? ধার্মিক ব্যক্তিগণকে এই আশীর্বাদ গ্রহণে যীশু খ্রীষ্টের শিষ্যগণের মত জীবন-যাপনে, ঈশ্বরের মন্ডলীতে নিজদিগকে যোগদানে অনুপ্রাণিত করে। পবিত্র আত্মা ধার্মিক গণকে ধার্মিকতার অস্ত্ররূপে সমর্থ করে এবং ধার্মিগণের পূর্ণতা সাধনে নিজদিগকে উৎসর্গ করে। ধার্মিকগণের ইচ্ছা ঈশ্বরে ইচ্ছা দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হয় এবং তাঁর কাছে উৎসর্গ করে। পবিত্র আত্মা ধার্মিকগণ আধ্যাত্মিক দীনতা, পরাজয় অথবা হতাশা নয় কিন্ত বিজয়ের বিচক্ষণতা, আনন্দ ও বিশ্বাসের দৃঢ়তা নিয়ে সমস্ত জগতের পাপের উপর জয়ী হতে উৎসর্গীকৃত জীবন - যাপনে চালিত করে ( রোমীয় ৭:১০ )।
“কিন্ত পবিত্র আত্মা তোমাদের উপরে আসিলে তোমরা শক্তি প্রাপ্ত হইবে, আর তোমরা যিরুশালেম, সমূদয় যিহুদীয়া ও শমরিয়া দেশে, এবং পৃথিবীর প্রান্ত পর্যন্ত আমার সাক্ষী হইবে” ( প্রেরিত ১:৮)। পবিত্র আত্মার পরিপূর্ণতা ধার্মিককে সুসমাচার প্রচারে চালিত করে।
 যাদের অন্তরে বাসকারী পবিত্র আত্মা আছে ঈশ্বর তাদের বিশ্বাসের শক্তিশালী জ্ঞান দিয়েছেন। ঈশ্বর তাঁর সন্তান হবার অধিকার দিয়েছেন যারা যীশুর সুন্দর সুসমাচারে বিশ্বাস দ্বারা তাদের পাপের ক্ষমা পেয়েছেন
(যোহন ১:১২ )। ধার্মিক ব্যক্তি গণ যারা বিশ্বাসের মধ্য দিয়ে ঈশ্বরের সন্তান হয়েছেন যেন এই জগতে সুন্দর সুসমাচার প্রচার করতে পারেন।
 ধার্মিক ব্যক্তিগণ সুসমাচারের মধ্যদিয়ে পাপের ক্ষমা পেয়ে শয়তানকে পরাজিত করতে সমর্থ হয়। তাদের আধ্যাত্মিক অসুস্থ্যতা হেতু আরোগ্য সাধনে ক্ষমতা থাকে ( মার্ক ১৬:১৮ ) শয়তানের ক্ষমতাকে পদদলিত করে (লূক ১০:১৯), এবং স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করে (প্রকাশিতবাক্য ২২:১৪)। ধার্মিকগণ ঈশ্বরের বাক্যের প্রতিজ্ঞায় বিশ্বাস করে রাজার মত একই ক্ষমতায় জীবন-যাপন করে ( ২করিন্থীয় ৬:১৭ - ১৮ )।
 পবিত্র আত্মার কারণে ধার্মিক ব্যক্তি গণ তাদের সমস্ত জাগতিক কামনা পরিত্যাগ করেন। তিনি সত্য সুসমাচার প্রচারে আমাদিগকে চালিত করেন
( গালাতীয় ৫:৬ )
 পবিত্র আত্মার কারণে ধার্মিকগণ পড়তে ও সুন্দর সুসমাচারে বিশ্বাস করতে এবং অন্যতে ইহা শিক্ষা দিয়ে থাকে ( তিমথীয় ৪:১৩ )।
পবিত্র আত্মা প্রতিদিন ঈশ্বরের মন্ডলীতে ধার্মিকগণকে সম্মিলিত করেন
( ইব্রীয় ১০:২৫ )।
 পবিত্র আত্মার কারণে ধার্মিক গণ তাদের পাপ সকল স্বীকার করে
( ১ যোহন ১:৯ ) সত্যের আলো দ্বারা তাদের অন্তরে অবস্থা সুস্পষ্ট ভাবে প্রকাশ করে ( ইফিষীয় ৫:১৩ )।
পবিত্র আত্মা ধার্মিকগণকে সঠিক পতে চলতে তাদের জীবন নিয়ন্ত্রন করে ( গীতসংহিতা ২৩ )।
 পবিত্র আত্মা ধার্মিকগণকে বলেন তার দান নিৰ্ব্বাণ করিও না
( ১থিষলনীকিয় ১৯ )।
বিস্ময়কর সুসমাচারের মধ্য দিয়ে পবিত্র আত্মা মহা কাজ করেন
( মার্ক ১৬:১৭ - ১৮ )।
 পবিত্র আত্মা ঈশ্বরের মন্ডলীতে যোগদানের দ্বারা যীশুর শিষ্যদের মত ধার্মিক গণকে চালিত করেন। পবিত্র আত্মা দ্বারা পূর্ণ হতে ও সুন্দর সুসমাচার প্রচার করতে তিনি ধার্মিক গণকে আধ্যাত্মিক জীবন-যাপনে চালিত করেন। বিস্ময়কর সুসমাচারের মাধ্যমে এই হল পবিত্র আত্মার কাজ (১ পিতর ২:৯ )। তিনি এই মুহূর্তে ধার্মিক ব্যক্তিদের অন্তরে কাজ করছেন। হাল্লিলূয়া!